Git not working in macOS Catalina?

I just updated to macOS Catalina yesterday. When started my terminal, it wasn’t able to recognize it as a Git repository. I work with WordPress plugins. So I thought I might have updated directly from WordPress.org so the Git folder got replaced and it is not a Git repo anymore!

So I tried to clone again from Bitbucket but it showed an error message-

xcrun: error: invalid active developer path (/Library/Developer/CommandLineTools), missing xcrun at: /Library/Developer/CommandLineTools/usr/bin/xcrun

So, I googled and found that I need to update Xcode from StackOverflow. This is the code I ran and everything was back to normal again.

xcode-select --install

You can also run xcode-select --reset. That works too!

Setting up Localhost on OSX Mojave for PHP Development

Laravel Valet? What is it?

I am using Laravel Valet to install Nginx and a domain masking service which will allow us to access our localhost address (127.0.0.1) from a domain something like mysite.test.

Valet is helpful for people who have a very low configuration laptop or PC. I use MacBook Air with 8GB RAM and 128GB SSD. I have to keep my RAM available for Chrome, so I can’t provide enough resource for the local server. This is why I use Valet instead of Xampp or Mamp. It just uses 7 MB of RAM and really fast compared to any other local server solution and I really love the domain masking and SSL feature.

Read More

Do what you love আর love what you do এর প্যাঁচাল

Do what you love; love what you do কথাটা অন্তত একবার হলেও আমরা শুনেছি। তবে কখনো কি একটু সময় নিয়ে ভেবে দেখেছি যে আসলে কথা দুইটা দিয়ে কি বোঝানো হচ্ছে বা আমরা কিভাবে এটা ফলো করতে পারি?

Read More

How not to write a blog post (especially on the company blog)

You might be a tiny little blogger or an individual who likes to write about the new things they learn or their daily experience. If this is the case, it is okay for you to feel down somedays and use a dull tone to write a thing or two on your personal blog.

Feeling low is totally okay and I am not against that. I am not saying you should always jump with joy and energy in all your blog posts like those Instagram bloggers or youtube vloggers do. People are intelligent these days and they can identify a fake smile or enthusiasm very easily and it is very disappointing.

Why writing in a grey tone is bad?

People actually don’t care about how you feel unless they have a personal connection with you. People come to the internet to feel happy, feel entertained, laugh and share positive vibes with their friends and hundreds of other people that they refer as friends.

So, if you are using a dull tone because you are not feeling right today, your writing will not reach many people. Most of them will stop reading halfway, some might not read after a couple of lines and will close the tab. What worse can happen is that because of this one bad experience or negative vibe, they might not come back again for a long time or start judging each of your posts before they read the next one.

Missing the rainbow on a company blog

If you are an online company serving people all over the world, your blog is one of the most important parts of your company. Because it is the front desk of your company which communicates with the world and shows who you are, what things you care about and how you respond to people and recent issues.

So, if you are not showing your enthusiasm when announcing a new feature of your product, introducing new plans or sharing a good news with your readers, it will hurt you bad. Real bad.

Your company blog is not a place for the interns. It should never have a half-baked content. Even if all of your content developers are having the writer’s block (which is somewhat impossible), you should not publish a post that seems less than great. In situations like this, you may try sourcing the content from some other company or a freelancer because the show must go on! But you should never risk your audience lose interest in your content and start judging if your write-ups are worth their time.

So if you are publishing blog posts regularly, people read and never comment, you know what you’re doing wrong.

What I recommend

Company Owners: Whenever you’re hiring a new technical writer or a content development executive (or whatever fancy job title you give to your blog writer) ask them to write about a good news and a bad news.

Something like “One of our developer died yesterday from caffeine attack” and “I received hundred litre tomato ketchup for free” and see the level of enthusiasm, positive energy and emotion they show on their writing. Don’t just put the word “energetic” on your job post.

Writers or people looking for a job: You read what I wrote above. Try writing something like that and discuss with friends about showing empathy on your writing, using better words to express your emotions. People can’t see your face or feel your situation. So, even it’s a dry post about just a new software or a stupid android game, you must feel excited. You must write in a way that people feel excited to comment on your post and download your software or app and pay.

You’re not just a writer. You’re no less than a salesman, a product owner and the communication manager. You alone have the power to ruin the company image or make it a great success.

Never ever play with the companies reputation. If you’re not feeling like writing today, talk to your boss, take the day off and go somewhere you like. If you’re constantly feeling like not writing anything or not feeling the right amount of energy, slap yourself a couple of times, have a red bull and try as much hard as you can. But please show 2-3 person to get a non-biased review before publishing.

Excellent Communication Skills – মানে কি! [জব/ইন্টারভিউ এর যে সিক্রেট কেউ বলে না]

প্রায় চাকরির বিজ্ঞাপনে লেখা থাকে যে প্রার্থীর যোগাযোগের দক্ষতা খুব ভালো হতে হবে। এটা আমরা দেখে মনে করি এ আর এমন কি! আমি তো সাবলীল ভাবেই কথা বলতে পারি। ইংরেজি বাংলা কোন ভাষাতেই সমস্যা নাই। দীপিকা পাডুকোন রে দেখে হিন্দিও তো শিখসি :p

কিন্তু এই কমিউনিকেশন মানে শুধু যোগাযোগ না, আন্তরিক এবং প্রফেশনাল যোগাযোগ। বিশেষ করে আপনি যদি অনলাইনে কাজ করেন। সোজা করে বললে একজন ফ্রিল্যান্স প্রফেশনাল এর ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্য যেমন কমিউনিকেশন দায়ী, ঠিক তেমনি তার রক সলিড রেপুটেশন এর জন্যও সেই কমিউনিকেশন ই গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনি কোন কাজ বোঝেন এবং পারেন, ঠিক কতটুকু বোঝেন বা পারেন এবং ঠিক কোন অংশটুকুর জন্য আপনার সাহায্য সহযোগিতা প্রয়োজন তা আপনার কলিগ এবং ম্যানেজারের কাছে পরিষ্কার করা হচ্ছে কমিউনিকেশন।

কোন কারনে কাজ করতে দেরি হলে বা কাজে কমপ্লিকেশন আসলে সেটা সঠিক ভাবে ঠাণ্ডা মাথায় জানানো হচ্ছে কমিউনিকেশন।

দায়সারা ভাবে ডেডলাইন মিট করার জন্য কাজ করে দিয়ে অসম্পূর্ণ কাজ দেওয়াটা হচ্ছে মিস কমিউনিকেশন।

কাজে কোন সমস্যা ফেস করলে সেটা টিমমেট এবং ম্যানেজারের সাথে শেয়ার না করে মন খারাপ করে থাকলে, সেটা মিস কমিউনিকেশন।

এই ব্যাপার গুলো আমি এবং আমার পরিচিত কাউকে খেয়াল করতে দেখিনি। এমনো দেখেছি, নিজে বুঝতে পারছেন যে তার কমিউনিকেশনের জন্য তিনি এখন বিপদে আছেন, কিন্তু তারপরও তিনি তা সমাধানে কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করছেন না।

এই কমিউনিকেশন স্কিল কিন্তু শুধু প্রফেশনাল লাইফেই না, আমাদের ব্যাক্তিগত জীবনেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারো সাথে কথা বলে অস্বস্তি হলে সেটা তাকে জানিয়ে সমাধান করলে শান্তিতে থাকা যাবে। তার ফোন রিসিভ না করে, দেখেও না দেখার ভান করলে অস্বস্তি আজীবন থেকে যাবে।

আমার নিজেরও এই ধরনের সমস্যা আছে। তবে গত ৫-৬ মাস ধরে কাটিয়ে ওঠার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এজন্য যে স্টেপ গুলো ফলো করছি তা হল-

১। সঠিক সময়ে কথা বলা
প্রত্যেকটা কথার সময় আছে। ভালো কথা, মন্দ কথা, সাধারণ আলোচনা যা-ই হোক। সময়ের দিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করি। খুশির সংবাদ গুলো সকালে অথবা রাতে দেওয়ার চেষ্টা করি। দুঃখের খবর শুধুমাত্র রাতে। আর সাধারণ আলোচনা লাঞ্চ টাইমের পরে।

২। কথা গুছিয়ে বলা
বন্ধুকে হয়তো কোন একটা পোষাকে মানাচ্ছে না; তাকে সরাসরি “এই তোরে এইটায় ভাল্লাগেনা” না বলে একটু ঘুরিয়ে বলার চেষ্টা করি “অন্য কিছু ট্রাই কর”। অর্থাৎ সমস্যার দিকে সরাসরি আঙ্গুল না তুলে একটা ভালো সমাধান প্রস্তাব করা। কারো আইডিয়া একেবারেই বস্তা পচা হলেও সেটা তাচ্ছিল্য না করে বা সরাসরি অগ্রাহ্য না করে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে সেই আইডিয়াকে একটু ঘুরিয়ে বাকিয়ে সঠিক দিকে আনা। সহজ করে বললে মিটিং গুলোতে ডিপ্লোম্যাটিক হওয়া।

৩। কি করতে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া
বেশির ভাগ মিটিং এ সিনিয়র বা বস খুব সংক্ষেপে কি করতে হবে বলে দেন। কিন্তু যেকোনো কাজ শুরু করার আগে একটা কনসেপ্ট থাকে বা প্রয়োজন সেইম ক্লায়েন্টের জন্য সেইম কাজে একেক সময় একেক রকম হতে পারে। বিশেষ করে স্টার্ট আপ গুলোতে অনেক সময় কোন নির্দেশনা-ই দেওয়া হয় না। অনেক সময় নিজেকে একটা কাজ বুঝে রেডি করতে হয়, কিন্তু শেষ করার পর বস বলতে পারেন আমি তো রোদ না জোছনা চেয়েছিলাম। তাই যতটুকু সম্ভব কাজ শুরু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে যে আপনি যা ভাবছেন তা সবার সাথে মিলছে কি না। তবে বিরক্ত বোধ করলে প্রশ্ন করার ব্যাপারে একটু কৌশলে ম্যানেজ করে নিতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন করলে বিরক্ত হয় বলে একেবারে অন্ধকার কুয়াতে ঝাঁপিয়ে পরা যাবে না।

৪। দেরি হওয়া মানে যেন অবহেলা না হয়
ভার্চুয়ালি কাজ করলে অনেক সময় কমপ্লিকেশনের জন্য ২-৩ দিন লেট হয়ে যায়। পারতেছি না, বা সমস্যা ধরতে কষ্ট হচ্ছে এটা না বলে ঘাপটি মেরে থাকতাম। ৩ দিন পরে ক্লায়েন্ট নিজে থেকে আপডেট জিজ্ঞেস করলে তখন বলতাম, ভাই করতেছি তো! সে যেত ক্ষেপে। এখন সেই সুযোগ না দেওয়ার চেষ্টা করি। যদি ৩ দিন ধরে সমস্যা খোঁজ করায় ব্যাস্ত থাকি, ৩ দিনই মেইল দিয়ে বলি, ভাইরে আজকেও সমস্যা খুঁজে পাই নাই। প্লিজ রাগ কইরো না। আমি যথেষ্ট আন্তরিক ভাবে কাজ করতেছি। সেও তখন বলে ঠিক আছে সময় নাও।

৫। সে কেন বুঝলো না!
ওয়ার্কপ্লেস এ সবাই একসাথে একটা সিঙ্গেল গোল নিয়ে কাজ করতে যায়। এখানে ফ্যামিলি, পরিবার টাইপ শব্দ ব্যবহার করা হলেও তা বেশি সিরিয়াসলি নেয়া ঠিক না। এখানে সবাই আসছে স্যালারি এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য। অতএব নিজের স্বার্থে অনেকে অনেক কিছু বুঝলেও অনেক সময় না বুঝার মত করতে পারে। আপনিও যদি অভিমান করে বসে থাকেন, এই সমস্যা কখনো সমাধান হবে না। বরং “ফ্যামিলি” এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়বে। স্কুলের মত সেইম ক্লাসেই অনেক গুলা আলাদা গ্রুপ হয়ে যাবে। এটা যেকোনো মূল্যে এভয়েড করতে হবে। বস বা কলিগ যে কেউ ভুল বুঝলে তার সাথে ঠাণ্ডা মাথায় চা কফি খাওয়ার সময় কথা বলুন। বস আপনার প্রয়োজন না বুঝলে তার সাথেও সোজাসুজি আলোচনা করুন। মানুষ একজন মানুষের মন পড়তে পারে না। তাকে জানাতে হয় আমি এমন অনুভব করছি। এই জন্যই প্রবাদ আছে, “কান্না না করলে মা বুঝেন না বাচ্চার খাওয়া প্রয়োজন”।

 

কার্যকর কমিউনিকেশন নিয়ে আপনিও দুই লাইন কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন 🙂

সফটওয়্যার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার – পর্ব ২

প্রথম পর্বেই মোটামুটি বেসিক বিষয় আলোচনা করা হয়ে গিয়েছে। গত পোস্টের প্রেক্ষিতে কিছু প্রশ্ন পাওয়া গিয়েছে। এখানে সেগুলোর উত্তর দেওয়া হবে।

সফটওয়্যার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার – পর্ব ১

কোথায় এবং কি ধরনের কোম্পানিতে সাপোর্টে কাজ করার সুযোগ আছে? বিশেষ করে ওয়েব/ওয়ার্ডপ্রেস ফিল্ডে?

সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পৃথিবীর প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভদের প্রয়োজন আছে। হোক তা সুপারশপ, হোক সফটওয়ার কোম্পানি, টেলিকম, ইন্টারনেট সার্ভিস, ব্যাংক – প্রত্যেকের ই নির্দিষ্ট এক বা একাধিক সাপোর্ট চ্যানেল থাকে।

ওয়ার্ডপ্রেস কেন্দ্রিক কাজ গুলো বেশি পাওয়া যায় প্লাগিন ভিত্তিক কম্পানি গুলোতে। থিম ভিত্তিক কোম্পানি গুলোতেও দরকার হয়। তবে তা তুলনামুলক কম জটিল এবং যথাযথ ডকুমেন্টেশন এর মাধ্যমে সাপোর্ট রিকোয়েস্ট অনেকাংশে কমিয়ে ফেলা যায়।

অন্যদিকে প্লাগিন ভিত্তিক কোম্পানিতে ইউনিক রিকোয়েস্ট এর পরিমান বেশি হয়। কারন এক প্লাগিন এর সাথে আরেক প্লাগিন এর integration, compatibility, conflict ইত্যাদি টেস্ট করে সলিউশন দিতে হয়। এগুলোও ডকুমেন্টেশন এর মাধ্যমে অনেক খানি কমিয়ে ফেলা যায়। তবে সব সমস্যা আগে থেকে জানা সম্ভব নয়। তাই অন্তত ৩ টা রিপ্লাই এর প্রয়োজন হয়-ই।

সার্ভিস বেজড কোম্পানিগুলোর আকারও এখন ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। সে ক্ষেত্রে এটা ওয়ার্ডপ্রেস অপটিমাইজড হোস্টিং ও হতে পারে বা Software as A Service (SASS) ও হতে পারে।

কোথায় এবং কিভাবে সাপোর্ট বিভাগে কাজ খুজতে হয়?

দেশে বেশিরভাগ কাজ পাবেন ফেসবুকে। কারণ ইকমার্স ব্যাবসায়ি থেকে শুরু করে সফটওয়্যার কোম্পানি, কল সেন্টার, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার সবারই ফেসবুক পেজ এবং মালিকদের প্রোফাইল আছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রুপেও তারা পোস্ট দিয়ে থাকেন। একটু কষ্ট করে সার্চ করলেই আপনার কাঙ্খিত টপিক সংস্লিস্ট অন্তত ৩ টি গ্রুপ পেয়ে যাবেন।

একান্তই না পেলে কমেন্টে জানাবেন। যথাসাধ্য চেস্টা করবো।

বিদেশী কোম্পানিতে রিমোট কাজ কিভাবে খোঁজ করা যায়?

বিদেশি কোম্পানি গুলো বেশিরভাগ সময়ে তাদের টুইটার একাউন্টে এবং লিঙ্কড ইন এ পোস্ট দিয়ে থাকে। দেশি বড় কোম্পানি যেমন- গ্রামীণ ফোন, ইউনিলিভার, পার্টেক্স, প্রান আরএফএল ইত্যাদিও লিঙ্কড ইন থেকে রিক্রুট করে থাকে।

তবে এসব চ্যানেল এ সব সময় নজর রাখা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে সোশ্যাল চ্যানেল গুলো লিঙ্ক জোগাড় করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

রিমোট কোম্পানিতে কাজ পেতে হলে বিশেষ কোন স্কিলের প্রয়োজন আছে কিনা?

অবশ্যই! একটা অফিসে বসে সরাসরি টিমের সাথে কাজ করা আর রিমোটলি কাজ করার মধ্যে মোটামুটি আকাশ পাতাল তফাৎ।

অনসাইট জব গুলোতে সামনা সামনি বসে কথা বলা যায়, নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে অনেক কিছু প্রকাশ করা যায়, কিছু বুঝানোর প্রয়োজন হলে কলিগ কে ডেকে স্ক্রিনে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে আলোচনা করা যায়।

কিন্তু রিমোট জবে বেশিরভাগ যোগাযোগ হয় মেসেজের মাধ্যমে। Skype, Slack, Hipchat ইত্যাদি এখন রিমোট কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার সেই ওল্ড স্কুল মেইল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকেন। আর একটু এডভান্সড কমিউনিকেশন এবং শেয়ারিং এর জন্য Basecamp, Trello, Toggl, Asana ইত্যাদি ব্যবহার করেন।

অতএব রিমোট কোম্পানির ক্ষেত্রে যোগাযোগ থেকে শুরু করে, নোট, প্রজেক্ট, টাস্ক, টাইম ইত্যাদি সহ নানান আনুসাঙ্গিক বিষয়ের সবই হবে অনলাইন টুলস এর মাধ্যমে।

স্ক্রিন শেয়ারিং বা রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এর ব্যাপার থাকলে Team Viewer, Skype Screen Share বা SSH, Remote Desktop connection ব্যবহারের প্রয়োজন পড়তে পারে।

এগুলো রিমোট কোম্পানিগুলোর কালচারের গুরুত্তপুর্ণ অংশ। অতএব কোন কোম্পানি কি কি পণ্য বিক্রি করে, কি কি সেবা দেয় এবং সেবার জন্য ঠিক কোন কোন টুল ব্যবহার করে এই বিষয়ে আগে থেকে ধারনা না থাকলে শুরুর দিন গুলো অনেক বিরক্তিকর মনে হবে।

আমার ব্যাক্তিগত পরামর্শ হচ্ছে- রিমোট জবে জয়েন করতে চাইলে তার আগে অন্তত ১ মাস working from home, remote job culture, remote job tips এইসব লিখে সার্চ করে পড়াশোনা করা উচিত এবং বিবেচনা করা উচিত যে আসলেই আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত কি না।

কিভাবে কাজের জন্য আবেদন করবো?

সাধারণত জব এর এনাউন্সমেন্ট এর সময় ই এপ্লাই করার লিঙ্ক দিয়ে দেয়। এটা বেশিরভাগ হয় কোন ফর্ম বা মেইল এড্রেস। তবে আপনি যদি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হন এবং রিমোটলি কাজ করার ব্যাপারে শিওর থাকেন, তাহলে নিজে থেকেই সরাসরি মেইল করতে পারেন।

মেইলের বডিটাকে ব্যবহার করতে পারেন কভার লেটার হিসেবে। লিখতে পারেন যে আপনি কিভাবে তাদের কোম্পানি সম্পর্কে জানলেন, তাদের কোন কোন প্রডাক্ট আপনার ভালো লাগে, প্রডাক্টের কোন ফিচার বেশি পছন্দ, আপনার মতে সেই প্রডাক্টগুলোকে আরও কিভাবে উন্নত করা যায় এবং অবশ্যই ওই কোম্পানিটিকে আপনি ঠিক কিভাবে সাহায্য করতে পারবেন।

আবেদনে কি কি বিষয় মেনশন করা উচিত?

কভার লেটার বা এই ধরনের কিছু লেখার যায়গা থাকলে সেটা অবশ্যই সদ্ব্যবহার করতে হবে। মেইলে আবেদন করতে বললে মেইলের বডিই হবে কভার লেটার লেখার যায়গা। আর যদি আলাদা করে কভার লেটার দিতে বলে, তাহলে তো আলাদা করে একটা পিডিএফ ফাইল এটাচ করতে হবেই।

তবে ইনফরমেশনের রিপিটেশন হায়ারিং ম্যানেজারের মনে বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। তাই চেষ্টা করবেন মেইলের বডি এবং কভার লেটারের পিডিএফ ফাইল এর লেখা যেন সেইম না হয়ে যায়।

মনে রাখতে হবে যে, কোম্পানিগুলোর রিমোট কালচারে আসার পেছনের একটা মূল কারণ হচ্ছে দুনিয়ার যেকোনো যায়গা থেকে বেস্ট প্রাইসে বেস্ট রিসোর্স হায়ার করা। অতএব আপনার এপ্লিকেশন এর ক্ষেত্রে যত যত্নবান হবেন, এটা ততটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখাবে এবং রিপ্লাই পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে।

রিমোট কোম্পানি গুলো কমিউনিকেশন এর প্রতি সর্বোচ্চ জোর দেয়। অতএব তারা অবশ্যই আপনার মেইল পড়বে। এটা নিয়ে কোন কনফিউশনের কারণ নেই। মেইল ভালো লাগলে এটাচ করা ফাইলও চেক করবে।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে সিভি বা রিজিউম জবের ক্ষেত্রে খুবই নগণ্য একটা অংশ। আপনার পড়াশোনা খুব বেশি ভালো না হলে সেই অংশগুলো স্কিপ করে যাওয়া যায়। ট্রেনিং এবং এক্সপেরিয়েন্স না থাকলে আইটি কোম্পানির ক্ষেত্রে সেটাও কোন বড় মাথা ব্যাথার কারণ না।

তবে স্কিল আপনার অবশ্যই থাকতে হবে। কাজ না জানলে পয়সা দিয়ে কেউ রাখবে না। অতএব কি কি জানেন, পারেন, করেছেন, তা অবশ্যই সিভি বা রিজিউম এ উল্লেখ থাকতে হবে।

স্কিল স্পষ্ট করার জন্য লিস্ট বা টেবিল হিসেবে সাজাতে পারেন। অর্ডারিং এর জন্য রিলিভেন্স, ক্যাটাগরি ফলো করতে পারেন। অপ্রাসঙ্গিক স্কিল থাকলেও উল্লেখ করা যাবে না।

প্রত্যেক জবের জন্য আলাদা করে রিজিউম তৈরি করতে হবে।

আমি জানি এটা সময় সাপেক্ষ কাজ এবং আলসেমি লাগে। তবে এই কম্পিটিশন এর যুগে এইটুকু কষ্ট করাই লাগবে। এর কোন বিকল্প নেই।

সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের শিডিউল কেমন থাকে

ইমেইল বেজড সাপোর্ট হলে এবং ছোট সাইজের কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগ সময় নির্দিস্ট ওয়ার্ক আওয়ার থাকে না। ফ্লেক্সিবিলিটি থাকে দিনের (এবং রাতের) যেকোনো সময় রিপ্লাই দেওয়ার। তবে ফুল টাইম জব হলে সপ্তাহে মোট ৪০ ঘণ্টা বা নির্দিস্ট পরিমাণ সাপোর্ট টিকেট resolve করার টার্গেট থাকবে।

রিয়েল টাইম কমিউনিকেশন যেমন কাস্টোমারের সাথে pre-sales meeting বা লাইভ চ্যাটে সাপোর্ট দিতে গেলে আবার কাজের স্বার্থেই সময় বেঁধে নিতে হবে।

আবার সপ্তাহে বা দিনে একদিন টিম মিটিং, কাজের আপডেট দেওয়া, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর মধ্যে কনফিউশন থাকলে তা সমাধান করার জন্য একটা নির্দিস্ট সময় ঠিক করে দেওয়া থাকতে পারে। মিটিং এর নিয়ম একেক কোম্পানিতে একেক রকমের হয়।

বাইরের কোম্পানিতে আওয়ারলি রেট/ সেলারি কেমন থাকে?

বিদেশ মানে ডলার আর ডলার মানেই অনেক টাকা 😉

ঘণ্টা হিসেবে কাজ করলে কাস্টোমার সাপোর্টে আমার দেখা মিনিমাম ৭ ডলার আর সর্বোচ্চ ২৫ ডলার

ফুল টাইম কাজ করলে এবং রেপুটেড কোম্পানি হলে “সিক্স ডিজিট” কনফার্মড। তবে এপল প্রোডাক্টস এর লিস্ট করার আগে স্কিল এর ব্যাপার টা ভুলে গেলে চলবে না :p

কাজ পাওয়ার জন্য এবং সাপোর্ট নিঞ্জা হিসেবে কাজ করার সময় টিপস

১। যেকোনো কোম্পানিতে এপ্লাই করার আগে তাদের সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণ রিসার্চ করতে হবে। জবে এপ্লাই করার আগের পদক্ষেপ হচ্ছে ক্রাশ কে প্রপোজ করার আগে stalk করার মত। যত বেশি জানবেন, তত ভালো প্ল্যান করতে পারবেন এবং ইয়েস বলার চান্স তত বাড়বে।

২। কভার লেটার নিজেকে তুলে ধরার বেস্ট যায়গা। মেইল পাঠানোর সময় রিজিউম পাঠাতে বলেছে বলে শুধু ২-১ লাইন লিখে রিজিউম এটাচ করে পাঠিয়ে দিলে হবে না। মিনিমাম ২০০ শব্দের মধ্যে নিজেকে তুলে ধরতে হবে। পাঠককে কনভিন্স করতে হবে।

৩। ইন্টারভিউ ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং এপ দিয়ে হতে পারে। কমন টুলস গুলো সম্বন্ধে ধারনা না থাকলে অবশ্যই মেইল পাঠানোর পর পরই সেগুলো দেখা শুরু করুন। নতুবা ইন্টারভিউ এর সময় লজ্জায় পড়তে হবে।

৪। কখনো ভুল ইনফরমেশন দেওয়া যাবে না। বাড়িয়ে বলা যাবে না। যতটুকু কনফিডেন্স এর সাথে পারবেন, ঠিক ততটুকুই বলবেন। হুদাই ভাব নিলে ধরা খাওয়ার চান্স ১০০%।

৫। কাস্টমারের সাথে কখনো মিথ্যা বলা যাবে না। ইনফ্যাক্ট কারো সাথেই মিথ্যা বলা যাবে না। সব সময় সবার সাথে true থাকতে হবে। প্রডাক্টে সমস্যা থাকতেই পারে। কাস্টোমারকে মিথ্যা আসা দিয়ে বা দোষ দিয়ে সময় ক্ষেপণ করা যাবে না। দোষ থাকলে অবশ্যই স্বীকার করে বাস্তব একটা সময় চেয়ে নিয়ে তা সমাধান করতে হবে।

How to turn on or off a module from Jetpack

I was setting up Jetpack for a new site. I like the WordPress.com interface and love to have all the sites within one single app!

I wanted to use their contact form feature on the new site. But the changes on the form settings were not being saved. Read More

আমি কিভাবে অনলাইনে সেফ থাকি?

“হ্যাক” শব্দটার সাথে আমাদের সবারই কম বেশি পরিচয় আছে। তবে প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে পূর্বে প্রচলিত উপায়ে কারও একাউন্ট দখল করা বা তথ্য বিকৃত বা নষ্ট করা সহজ না। অর্থাৎ, কি লগার ইন্সটল, ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া এখন একটু কঠিন।

কিন্তু সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সেই তুলনায় অনেক সহজ। একটু অসাবধান হলেই হারাতে পারেন নিজের প্রিয় ফেসবুক একাউন্ট, হতে পারেন বদনামের শিকার।

Read More

Script to Install a Webserver on Debian and OSX in Minutes

Each time I reinstall the OS on my laptop, I have to struggle with the web server installation and configuration. Because I have minimal hardware and I like my environment clutter free.

So I used to install each package one by one and I had to google a couple of times. One of my colleague from weDevs wrote a cool script to install everything at once. No googling required!

Here is the link to the repo

https://github.com/sohelamin/webserver-setup

It has composer included. So if you need to install WP CLI, then it will ease the process too.

Please let me know if you have any questions about servers 🙂