6 Times I failed to establish a business

Why am I sharing this?

Well, this is sort of a reference post that I am about to write in future. It will add more weight to what I am saying.

Anyway, It started when I was in school. I used to work for a signboard and banner making shop and learnt to navigate through Adobe Illustrator and Adobe Photoshop a little.

1. Advertising Service

I wanted to work as a third party who gets orders from businesses and gets them done from the place I used to work. I designed my own business card saying that I own an advertising company (which I didn’t), printed it and distributed around the place I used to live. I didn’t get a single order! Moreover, someone spread my number to telemarketing shitheads and I still get calls even after 9 years!

2. eLearning Website

At my early days of college, I wanted to open a eLearning website because I was not happy with my teachers. I used to watch tutorials on YouTube and felt that I can make videos in Bangla with the best teachers in the country. So I joined a web development course. During the three month duration, I got so much involved in writing code and felt exciting that I forgot about the eLearning portal and started to dream about becoming a programmer.

3. Freelance Web Developer

Right after finishing the web development course I opened profile at every possible freelancing platform and started looking for work. I did find a couple but my skills were not enough for professional grade work. So I thought of having a pause and increase my skills.

4. Domain Hosting Company

I joined a web development training center to teach people about markup language and how to use a CMS to create a website. It was the time of “24.com” boom and the training center owner wanted to open yet another news portal. When I successfully completed one website, he introduced me with his journalist friends and got 7 new orders for news portals. None of them paid a single penny and also I was not getting my salary on time. So I left the job and also forgot about having a domain hosting company.

5. Bulk T Shirt Printing

I was jobless for 24 days and I thought about what else I can do! I saved 10,000 taka till then and I thought I can buy cheap t-shirts, print some unique designs and sell to the shops. I put a lot of effort this time and travelled to at least 10 different printing companies and RMG factories. Some of them were out of the city and required an entire day to reach and come back! None of them agreed to sell a smaller amount or print smaller amount. Also printing smaller amounts will increase the cost a lot. So I realized 10K BDT is not enough to start a business and I forgot about this as well.

6. Software Company

When I left my job from a software company as a business development manager, I thought I’m old enough to handle a company and can gather some developers and agree to work as partners(in plain words, unpaid developers). Also, seed funding, crowdfunding, startup, angel investors were the buzzwords at that time. So I got the courage to discuss the idea with some of my ex-colleagues and they all agreed. Meanwhile, I got a message from a client that he wants to invest in our company. But the final discussion went from investing in our company to owning our company. During the discussion, we registered the company so that we can legally take partners and sell shares. That cost us a hell lot of money but none of us wanted to do yet another job. So the investment discussion ended and all of us lost motivation making a company from volunteer work.

The developers parted their ways but I tried to keep that dream alive. I hired content writers from my university wanted to keep the blog running to get attention from potential investors. Also, shared the mockups I made from a designer with my own personal fund. That too was a handsome amount for any Bangladeshi. They were preparing to write about project management tips and software reviews but it didn’t last long as they were not progressing that well. I was going through depression as well. The domain ManagX.com is still up and running with no complete content. I keep renewing it and will launch it someday. Because I invested a lot in this and I will keep this dream alive.

Do what you love আর love what you do এর প্যাঁচাল

Do what you love; love what you do কথাটা অন্তত একবার হলেও আমরা শুনেছি। তবে কখনো কি একটু সময় নিয়ে ভেবে দেখেছি যে আসলে কথা দুইটা দিয়ে কি বোঝানো হচ্ছে বা আমরা কিভাবে এটা ফলো করতে পারি?

Read More

কেন আমি মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে নিরুৎসাহিত করি?

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা

আমি নিজে শুরু করেছিলাম মার্কেটপ্লেস থেকে। সাধারণ HTML বেজড স্ট্যাটিক সাইট বা টেম্পলেট তৈরি এবং Joomla দিয়ে সাইট তৈরি করতে জানতাম। প্রচুর কনফিডেন্স ছিল। যেহেতু একাই যেয়ে সাগরে ঝাপ দিয়েছিলাম তাই একেবারে উপুড় হয়ে পরে বিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম।

২ বছর বিরতি নিয়ে যখন আরেকটু ভালো করে শিখে ফিরে গেলাম, তখন কোন রকম ধাক্কা খাইনি। কারণ ততদিনে মার্কেটের চাহিদা, ক্লায়েন্টের মনোভাব এবং কমিউনিটি এর সাথে যুক্ত হওয়ার কারণে যথেষ্ট সাহায্য পেয়েছি। কিন্তু প্রত্যেকটা কাজ একা করা লাগতো। চিন্তাভাবনা বা রিভিউ করার জন্য কাউকে পাওয়া যেত না। এই জন্য মেন্টাল স্ট্রেস অনেক বেশি কাজ করতো।

এরপরে ফুল টাইম কাজের ফাঁকে ফাঁকে প্রায়ই মার্কেটপ্লেস এ কাজ করা হয়েছে। ইচ্ছা ছিল যে একটা ভালো পোর্টফোলিও বানাবো। এরপর সব সময় কাজ থাকবে, তাই আর কাজ পাওয়া নিয়ে চিন্তা করা লাগবে না।

মোটামুটি ৭ বছর ফুল টাইম জব এবং মার্কেটপ্লেসে থেকে আমার নিজের উপলব্ধি হচ্ছে-

মার্কেটপ্লেসকে কোন দীর্ঘস্থায়ী আয়ের উৎস হিসেবে নেওয়া উচিত না।

অনেক বেশি স্ট্রেস, কমিউনিকেশন এবং কনভিন্স করতে সময় বেশি নষ্ট হওয়া, পেমেন্ট নিয়ে ঝামেলা সহ শত শত কারণ আছে। এগুলো এড়ানোর উপায় নেই।

সব থেকে বড় কথা হচ্ছে মার্কেটপ্লেসে বেশির ভাগ মানুষের একা কাজ করা লাগে। ফিডব্যাক পাওয়া যায় শুধু ক্লায়েন্টের থেকে যে শুধুমাত্র তার নিজের প্রডাক্ট সম্পর্কে জানে এবং কেয়ার করে।

তাহলে কি করতে বলেন?

আজ পর্যন্ত আমার ক্যারিয়ারে আমি পয়সার থেকে শিখতে পারার সুযোগকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছি। তাই নগদ পয়সার জন্য একা একজন ক্লায়েন্টের সাথে কাজ না করে যেকোনো টিমের সাথে কাজ করাকে বেশি এগিয়ে রাখি।

যদি মার্কেটপ্লেস থেকে কোন টিমে জয়েন করার সুযোগ পান, তাহলে মার্কেটপ্লেস ভালো যায়গা।

একটা টিমের সাথে থাকা সব সময় গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ সামাজিক জীব আর মেন্টাল সাপোর্ট এবং স্কিল ইম্প্রুভ করার জন্য টিমের কোন বিকল্প নেই।

টিমের সাথে কাজ বেশিরভাগ ফুল টাইম হয় আর টাইমজোন নিয়েও অনেক সময় সমস্যা হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে একা ফ্রিল্যান্স করার জন্য মার্কেটপ্লেস ছাড়া উপায় নেই।

টাইমজোন নিয়ে ঝামেলা না থাকলে আর ফুলটাইম কাজ করার জন্য সুযোগ থাকলে অবশ্যই যেকোনো একটা টিমে জয়েন করা উচিত। হোক সেটা লোকাল বা রিমোট টিম।

দুইটার মধ্যে পার্থক্য কি?

একটা টিমে থাকা অবস্থায় যে পরিমাণ ভুল করার সুযোগ পাবেন এবং শেখার সুযোগ পাবেন, সেটা একা কাজ করে কখনো পাবেন না।

আর একা কাজ করলে অসুস্থ হয়েও শান্তি পাওয়া যায় না। কারণ আমি থেমে গেলে কাজও থেমে যাবে। নিজের কাছেও খারাপ লাগবে, ক্লায়েন্ট ও বিব্রত বোধ করবে।

টিমে থাকলে কেউ না কেউ ব্যাকআপ দেওয়ার জন্য থাকে। শান্তি করে একটু ছুটি নেওয়া যায়।

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে একা কাজ করলে big picture টা দেখতে পাওয়া যায় না। ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও নিজেকে কেন্দ্র করে করা হয়। টিমে থাকলে অনেক ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আইডিয়া পাওয়া যায়। দীর্ঘস্থায়ী আয়ের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়।

কোন কোম্পানিতে জয়েন করলে নিজের প্রডাক্ট ডেভেলপ করার জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায় এবং নিজের কোম্পানির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়।

ফ্রিল্যান্সিং বা মার্কেটপ্লেস আমার মতে একটা ক্ষণস্থায়ী ছোট সময়ের জন্য ঠিক আছে। ক্যারিয়ার গড়তে হলে এবং ভবিষ্যতের জন্য ভালো কিছু করতে হলে টিমের সাথে কাজ করার কোন বিকল্প নেই।

আইটি প্রডাক্ট এবং সার্ভিস ভিত্তিক কোম্পানিতে স্ট্রেস লেভেল নিয়ে ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা

বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি বিভিন্ন মডেলে বিভিন্ন ধরনের টিম, সেটআপ এবং কাস্টোমারের সাথে কাজ করে। যেমন সফটওয়্যার কোম্পানি সেইম সফটওয়্যার প্যাকেজ ইকমার্স টুল ব্যবহার করে সারা পৃথিবীতে সেইম দামে সরাসরি অনলাইনে সেল করতে পারে। আবার কোন সফটওয়্যার কোম্পানি অফলাইনে এফিলিয়েট বা ব্রোকারের মাধ্যমে সেল করতে পারে। এখানে আবার বিভিন্ন লেয়ার এবং কাস্টমাইজেশন থাকতে পারে। আবার আরেকটা সফটওয়্যার কোম্পানি শুধু একটা ক্যাটাগরির এক্সপার্ট হতে পারে এবং প্রত্যেকটা ক্লায়েন্ট এর জন্য ইউনিক সলিউশন ডেভেলপ করতে পারে; যার ডিল আবার অনলাইন, অফলাইন মিলিয়ে হতে পারে।

সার্ভিস এর ক্ষেত্রেও এমন মডেল হতে পারে। অর্থাৎ, যারা কিছু বানায় না, কোন প্রডাক্ট নেই; শুধু সেবার বিপরীতে মাসিক, বাৎসরিক বা নির্দিষ্ট কাজের জন্য চার্জ করে।

১। Automated Online Product Sales.
২। Automated Online Service Sales.
৩। Offline Service Sales.

এখন পর্যন্ত এই তিন ধরনের কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। ২০১৮ তে আমার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্ট্রেস লেভেল কমিয়ে একটা শান্তির কাজ করা। তাই এই পোস্টে কোথায় কেমন স্ট্রেস লেভেল ফেস করতে হয়েছে, তা বর্ননা করবো।

অটোমেটেড অনলাইন প্রডাক্ট সেলস

অটোমেটেড অনলাইন সেলস এর ক্ষেত্রে Proposal, Negotiation, Requirement Analysis, Customer Meeting, Team Meeting, Contract, Invoice সহ নানান ক্যাচাল থেকে দুরে থাকা যায়। কারণ ক্লায়েন্ট বা কাস্টমার ওয়েব সাইটে এসে নিজে নিজেই কিনে নিতে পারে আর একটা Terms of Service লিঙ্ক ই যথেষ্ট।

কাজ শুধু মার্কেটিং আর সাপোর্ট এর।

এখানে যে স্ট্রেস খুব কম তা না। এখানেও বিশাল বিশাল ওয়ার্কফ্লো থাকে। তবে এখানে বেশিরভাগ কাজ অটোমেটেড এবং অনলাইন বেজড হওয়াতে হারিয়ে যাওয়ার চান্স খুব ই কম। প্রত্যেক লেভেলে কোন না কোন ভাবে নোটিফিকেশন পাওয়ার ব্যবস্থা থাকে আর কাস্টমাররাও ইমেইল বা অন্যান্য চ্যানেলে যথেষ্ট একটিভ থাকে। তাই একেক কাস্টোমারের পেছনে সময় ও কম খরচ হয় আর স্ট্রেস তুলনামূলক আমার কাছে কম মনে হয়ছে।

অটোমেটেড অনলাইন সার্ভিস সেলস

এটা অটোমেটেড প্রডাক্ট সেলস এর সাথে ৯০% মিলে যায়। এখানেও Proposal, Negotiation, Requirement Analysis, Customer Meeting, Team Meeting, Contract ইত্যাদি বিষয় নেই এবং ইনভয়েসিং এর কাজ সিস্টেম থেকে সরাসরি হয়।

তাই বিজনেস টিম এর একটা নির্দিস্ট সময় পরপর একাউন্টস ডিপার্টমেন্ট এর সাথে বসে এক্সসেল শিট বানাতে হয়না। উভয়ে আলাদা এবং স্বাধীন। যার যার কাজ আলাদা আলাদা করতে পারে এবং এখানেও ইনফরমেশন বা টার্গেট মিস করার সুযোগ নেই বললেই চলে।

এই ধরনের কোম্পানি গুলো অনেক বড় হয় বিধায় কাজের পরিধি অনেক কম হয়। ফলে স্ট্রেস লেভেল ও তুলনামূলক কম। কিন্তু একই কারণে পদোন্নতি হওয়ার সুযোগও কম।

তবে এখানে কোন প্রডাক্ট না থাকায় আফটার সেলস সার্ভিস এ জটিলতা কম হয় এবং সমস্যা গুলো কমন হওয়ায় স্ট্রেস লেভেল অনেক কম মনে হয়েছে।

অফলাইন সার্ভিস সেল

এটা যেকোনো গতানুগতিক কোম্পানির মত কাজ করে। এখানে কাস্টোমারের কাছ থেকে রিকয়ারমেন্ট নিয়ে বিভিন্ন টিমের সাথে মিটিং এ বসতে হয় এনালাইসিস এবং এস্টিমেট এর জন্য। এরপর প্রপোজাল বানিয়ে পাঠাতে হয়। পছন্দ হলে ক্লায়েন্ট কনফার্ম করে। Onetime Project হলে সরাসরি ইনভয়েস পাঠাতে হয়। Recurring Service হলে আবার কন্ট্রাক্ট বানাতে হয়, সাইন করা হলে তারপর ইনভয়েস।

কাজ শুরু হওয়ার পর রিকয়ারমেন্ট চেঞ্জ হয়, কাজে জটিলতা দেখা দেয়, সময় বেশি লাগে। ফলে কাজের পরিধি পরিবর্তন, খরচ বৃদ্ধি সহ নানান বিষয় নিয়ে মিটিং করে কন্ট্র্যাক্ট এ পরিবর্তন আনতে হয় বা আলাদা করে কন্ট্র্যাক্ট বানাতে হয়।

এতোসব পেপারওয়ার্ক এবং মিটিং অনলাইনে করা গেলেও আফসোস একটু কম হতো। বেশিরভাগ আইটি সার্ভিস বেজড কোম্পানি গুলো ডিল করে বিশাল কর্পোরেটগুলোর সাথে, যাদের ইমেইল পাঠিয়ে চেক করার জন্য আবার ফোন করে বলা লাগে।

এই ধরনের কোম্পানিতে কমিউনিকেশন খুবই জরুরি বিষয়। কারণ একবার কিছু ভুলে গেলে, খেই হারিয়ে ফেললে বা পরে করবো ভেবে বা কারো উত্তরের জন্য অপেক্ষা করে ফেলে রাখলে প্রজেক্ট মিস হয়ে যাবে।

আর বারবার বিভিন্ন টিমের থেকে সাহায্য প্রয়োজন হওয়ায় ডিল ক্লোজ করতে দেরি হওয়াটা একেবারেই কমন সিনারিও।
এটা এভয়েড করার জন্য অতিরিক্ত কৌশলী না হলে কোম্পানিতে লস হওয়া অবধারিত।

প্রত্যেকটা প্রজেক্ট, তার ভিতরে প্রত্যেকটা ডিসকাশন এবং টাস্ক এ খেয়াল রাখার কোন বিকল্প নেই। আর এক সময় একটা প্রজেক্ট নিয়েও চিন্তা করা সম্ভব না। একই সাথে ২০ টা প্রজেক্ট রানিং থাকতে পারে যার জন্য প্রায় ১৬ জন আলাদা ভেন্ডরের ৩৫ টা টিম কাজ করছে। এদের মধ্যে সমন্বয়ের দিকে খেয়াল রাখা বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজারের দায়িত্ব।

এখানে ফেইল করার চান্স এবং স্ট্রেস লেভেল কেমন তা এখন নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পারছেন!

তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ধরনের কোম্পানিতে স্যালারি রেঞ্জ যথেষ্ট ভালো এবং ভবিষ্যতে উন্নতির সুযোগ অনেক বেশি। আর এইসব কোম্পানিতে ম্যানেজমেন্ট পজিশনে কম্পিটিশনও খুব কম। কারণ এই ধরনের স্ট্রেস এবং রিস্ক নেওয়ার ক্ষমতা খুব কম মানুষের হয়।

What jobs you can do as a student in Bangladesh?

Tuition – A big NO!

If you ask someone what can I do to earn my pocket money or pay college, most of the people will tell you to be a home tutor. I too used to be a home tutor from my high school days. I still see some of my friends still offer private tutions and help prepare juniors for university admission tests.

Being a lecturer at the admission coaching centers are cool as they are similar to actual school and follows a formal structure. But I do not support offering private tutions. This job just sucks out all the energy and never helps in the future unless you want to attend Bangladesh Civil Service exam. This is the only use case I found from my life and all the educated people I know.

Even if you want to be a teacher at a school or college, house tutoring will not help because the environment, approach and everything else are different.

If someone asks me for career advice, I would never mention tuition no matter how much you can earn.

Earn experience and gather knowledge. Money will find its way.

Find something relevant for the future

Everyone’s situation with life, family and ambition are different. So the advice or planning should be case specific as well.

If you are in 11th standard or above and want to be a doctor, you can ask the local pharmacy shop if they can offer you a job. The salary will not be enough but it will definitely will make things easier for you in the future.

Similarly, if you want to be a business tycoon in future you can work at a super shop. For future fashion designers, tailoring shops are the place.

These are just examples to show you how can you relate your future ambition while you’re still a student.

If you really need money

If you are in a really bad situation and need money more than preparing for the future, then you can consider finding work in these places. They offer decent salary to bear the minimum expense.

  1. Super store
  2. Sales person at shopping malls and clothing stores.
  3. Service staff at restaurant, cafe and fast food chains.
  4. Brand promotion
  5. Door to door marketing/selling
  6. Customer service
  7. Computer operator
  8. Data entry
  9. Bike and car sharing service driver (Pathao, Uber, Muv, Sam etc.)
  10. Photo, Audio, Video Editing
  11. Graphic Design
  12. Content Writing
  13. Tour guide
  14. Baby sitting
  15. Pet Care
  16. Joining platforms like Sheba, Handymama etc.

 

Have more ideas to add? Comment below!

Excellent Communication Skills – মানে কি! [জব/ইন্টারভিউ এর যে সিক্রেট কেউ বলে না]

প্রায় চাকরির বিজ্ঞাপনে লেখা থাকে যে প্রার্থীর যোগাযোগের দক্ষতা খুব ভালো হতে হবে। এটা আমরা দেখে মনে করি এ আর এমন কি! আমি তো সাবলীল ভাবেই কথা বলতে পারি। ইংরেজি বাংলা কোন ভাষাতেই সমস্যা নাই। দীপিকা পাডুকোন রে দেখে হিন্দিও তো শিখসি :p

কিন্তু এই কমিউনিকেশন মানে শুধু যোগাযোগ না, আন্তরিক এবং প্রফেশনাল যোগাযোগ। বিশেষ করে আপনি যদি অনলাইনে কাজ করেন। সোজা করে বললে একজন ফ্রিল্যান্স প্রফেশনাল এর ক্যারিয়ার ধ্বংস করার জন্য যেমন কমিউনিকেশন দায়ী, ঠিক তেমনি তার রক সলিড রেপুটেশন এর জন্যও সেই কমিউনিকেশন ই গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনি কোন কাজ বোঝেন এবং পারেন, ঠিক কতটুকু বোঝেন বা পারেন এবং ঠিক কোন অংশটুকুর জন্য আপনার সাহায্য সহযোগিতা প্রয়োজন তা আপনার কলিগ এবং ম্যানেজারের কাছে পরিষ্কার করা হচ্ছে কমিউনিকেশন।

কোন কারনে কাজ করতে দেরি হলে বা কাজে কমপ্লিকেশন আসলে সেটা সঠিক ভাবে ঠাণ্ডা মাথায় জানানো হচ্ছে কমিউনিকেশন।

দায়সারা ভাবে ডেডলাইন মিট করার জন্য কাজ করে দিয়ে অসম্পূর্ণ কাজ দেওয়াটা হচ্ছে মিস কমিউনিকেশন।

কাজে কোন সমস্যা ফেস করলে সেটা টিমমেট এবং ম্যানেজারের সাথে শেয়ার না করে মন খারাপ করে থাকলে, সেটা মিস কমিউনিকেশন।

এই ব্যাপার গুলো আমি এবং আমার পরিচিত কাউকে খেয়াল করতে দেখিনি। এমনো দেখেছি, নিজে বুঝতে পারছেন যে তার কমিউনিকেশনের জন্য তিনি এখন বিপদে আছেন, কিন্তু তারপরও তিনি তা সমাধানে কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করছেন না।

এই কমিউনিকেশন স্কিল কিন্তু শুধু প্রফেশনাল লাইফেই না, আমাদের ব্যাক্তিগত জীবনেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারো সাথে কথা বলে অস্বস্তি হলে সেটা তাকে জানিয়ে সমাধান করলে শান্তিতে থাকা যাবে। তার ফোন রিসিভ না করে, দেখেও না দেখার ভান করলে অস্বস্তি আজীবন থেকে যাবে।

আমার নিজেরও এই ধরনের সমস্যা আছে। তবে গত ৫-৬ মাস ধরে কাটিয়ে ওঠার জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এজন্য যে স্টেপ গুলো ফলো করছি তা হল-

১। সঠিক সময়ে কথা বলা
প্রত্যেকটা কথার সময় আছে। ভালো কথা, মন্দ কথা, সাধারণ আলোচনা যা-ই হোক। সময়ের দিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করি। খুশির সংবাদ গুলো সকালে অথবা রাতে দেওয়ার চেষ্টা করি। দুঃখের খবর শুধুমাত্র রাতে। আর সাধারণ আলোচনা লাঞ্চ টাইমের পরে।

২। কথা গুছিয়ে বলা
বন্ধুকে হয়তো কোন একটা পোষাকে মানাচ্ছে না; তাকে সরাসরি “এই তোরে এইটায় ভাল্লাগেনা” না বলে একটু ঘুরিয়ে বলার চেষ্টা করি “অন্য কিছু ট্রাই কর”। অর্থাৎ সমস্যার দিকে সরাসরি আঙ্গুল না তুলে একটা ভালো সমাধান প্রস্তাব করা। কারো আইডিয়া একেবারেই বস্তা পচা হলেও সেটা তাচ্ছিল্য না করে বা সরাসরি অগ্রাহ্য না করে তাকে ধন্যবাদ দিয়ে সেই আইডিয়াকে একটু ঘুরিয়ে বাকিয়ে সঠিক দিকে আনা। সহজ করে বললে মিটিং গুলোতে ডিপ্লোম্যাটিক হওয়া।

৩। কি করতে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া
বেশির ভাগ মিটিং এ সিনিয়র বা বস খুব সংক্ষেপে কি করতে হবে বলে দেন। কিন্তু যেকোনো কাজ শুরু করার আগে একটা কনসেপ্ট থাকে বা প্রয়োজন সেইম ক্লায়েন্টের জন্য সেইম কাজে একেক সময় একেক রকম হতে পারে। বিশেষ করে স্টার্ট আপ গুলোতে অনেক সময় কোন নির্দেশনা-ই দেওয়া হয় না। অনেক সময় নিজেকে একটা কাজ বুঝে রেডি করতে হয়, কিন্তু শেষ করার পর বস বলতে পারেন আমি তো রোদ না জোছনা চেয়েছিলাম। তাই যতটুকু সম্ভব কাজ শুরু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে যে আপনি যা ভাবছেন তা সবার সাথে মিলছে কি না। তবে বিরক্ত বোধ করলে প্রশ্ন করার ব্যাপারে একটু কৌশলে ম্যানেজ করে নিতে হবে। কিন্তু প্রশ্ন করলে বিরক্ত হয় বলে একেবারে অন্ধকার কুয়াতে ঝাঁপিয়ে পরা যাবে না।

৪। দেরি হওয়া মানে যেন অবহেলা না হয়
ভার্চুয়ালি কাজ করলে অনেক সময় কমপ্লিকেশনের জন্য ২-৩ দিন লেট হয়ে যায়। পারতেছি না, বা সমস্যা ধরতে কষ্ট হচ্ছে এটা না বলে ঘাপটি মেরে থাকতাম। ৩ দিন পরে ক্লায়েন্ট নিজে থেকে আপডেট জিজ্ঞেস করলে তখন বলতাম, ভাই করতেছি তো! সে যেত ক্ষেপে। এখন সেই সুযোগ না দেওয়ার চেষ্টা করি। যদি ৩ দিন ধরে সমস্যা খোঁজ করায় ব্যাস্ত থাকি, ৩ দিনই মেইল দিয়ে বলি, ভাইরে আজকেও সমস্যা খুঁজে পাই নাই। প্লিজ রাগ কইরো না। আমি যথেষ্ট আন্তরিক ভাবে কাজ করতেছি। সেও তখন বলে ঠিক আছে সময় নাও।

৫। সে কেন বুঝলো না!
ওয়ার্কপ্লেস এ সবাই একসাথে একটা সিঙ্গেল গোল নিয়ে কাজ করতে যায়। এখানে ফ্যামিলি, পরিবার টাইপ শব্দ ব্যবহার করা হলেও তা বেশি সিরিয়াসলি নেয়া ঠিক না। এখানে সবাই আসছে স্যালারি এবং নিজের ক্যারিয়ার গড়ার জন্য। অতএব নিজের স্বার্থে অনেকে অনেক কিছু বুঝলেও অনেক সময় না বুঝার মত করতে পারে। আপনিও যদি অভিমান করে বসে থাকেন, এই সমস্যা কখনো সমাধান হবে না। বরং “ফ্যামিলি” এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়বে। স্কুলের মত সেইম ক্লাসেই অনেক গুলা আলাদা গ্রুপ হয়ে যাবে। এটা যেকোনো মূল্যে এভয়েড করতে হবে। বস বা কলিগ যে কেউ ভুল বুঝলে তার সাথে ঠাণ্ডা মাথায় চা কফি খাওয়ার সময় কথা বলুন। বস আপনার প্রয়োজন না বুঝলে তার সাথেও সোজাসুজি আলোচনা করুন। মানুষ একজন মানুষের মন পড়তে পারে না। তাকে জানাতে হয় আমি এমন অনুভব করছি। এই জন্যই প্রবাদ আছে, “কান্না না করলে মা বুঝেন না বাচ্চার খাওয়া প্রয়োজন”।

 

কার্যকর কমিউনিকেশন নিয়ে আপনিও দুই লাইন কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন 🙂

সফটওয়্যার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার – পর্ব ২

প্রথম পর্বেই মোটামুটি বেসিক বিষয় আলোচনা করা হয়ে গিয়েছে। গত পোস্টের প্রেক্ষিতে কিছু প্রশ্ন পাওয়া গিয়েছে। এখানে সেগুলোর উত্তর দেওয়া হবে।

সফটওয়্যার সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ক্যারিয়ার – পর্ব ১

কোথায় এবং কি ধরনের কোম্পানিতে সাপোর্টে কাজ করার সুযোগ আছে? বিশেষ করে ওয়েব/ওয়ার্ডপ্রেস ফিল্ডে?

সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পৃথিবীর প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানে কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভদের প্রয়োজন আছে। হোক তা সুপারশপ, হোক সফটওয়ার কোম্পানি, টেলিকম, ইন্টারনেট সার্ভিস, ব্যাংক – প্রত্যেকের ই নির্দিষ্ট এক বা একাধিক সাপোর্ট চ্যানেল থাকে।

ওয়ার্ডপ্রেস কেন্দ্রিক কাজ গুলো বেশি পাওয়া যায় প্লাগিন ভিত্তিক কম্পানি গুলোতে। থিম ভিত্তিক কোম্পানি গুলোতেও দরকার হয়। তবে তা তুলনামুলক কম জটিল এবং যথাযথ ডকুমেন্টেশন এর মাধ্যমে সাপোর্ট রিকোয়েস্ট অনেকাংশে কমিয়ে ফেলা যায়।

অন্যদিকে প্লাগিন ভিত্তিক কোম্পানিতে ইউনিক রিকোয়েস্ট এর পরিমান বেশি হয়। কারন এক প্লাগিন এর সাথে আরেক প্লাগিন এর integration, compatibility, conflict ইত্যাদি টেস্ট করে সলিউশন দিতে হয়। এগুলোও ডকুমেন্টেশন এর মাধ্যমে অনেক খানি কমিয়ে ফেলা যায়। তবে সব সমস্যা আগে থেকে জানা সম্ভব নয়। তাই অন্তত ৩ টা রিপ্লাই এর প্রয়োজন হয়-ই।

সার্ভিস বেজড কোম্পানিগুলোর আকারও এখন ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। সে ক্ষেত্রে এটা ওয়ার্ডপ্রেস অপটিমাইজড হোস্টিং ও হতে পারে বা Software as A Service (SASS) ও হতে পারে।

কোথায় এবং কিভাবে সাপোর্ট বিভাগে কাজ খুজতে হয়?

দেশে বেশিরভাগ কাজ পাবেন ফেসবুকে। কারণ ইকমার্স ব্যাবসায়ি থেকে শুরু করে সফটওয়্যার কোম্পানি, কল সেন্টার, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার সবারই ফেসবুক পেজ এবং মালিকদের প্রোফাইল আছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রুপেও তারা পোস্ট দিয়ে থাকেন। একটু কষ্ট করে সার্চ করলেই আপনার কাঙ্খিত টপিক সংস্লিস্ট অন্তত ৩ টি গ্রুপ পেয়ে যাবেন।

একান্তই না পেলে কমেন্টে জানাবেন। যথাসাধ্য চেস্টা করবো।

বিদেশী কোম্পানিতে রিমোট কাজ কিভাবে খোঁজ করা যায়?

বিদেশি কোম্পানি গুলো বেশিরভাগ সময়ে তাদের টুইটার একাউন্টে এবং লিঙ্কড ইন এ পোস্ট দিয়ে থাকে। দেশি বড় কোম্পানি যেমন- গ্রামীণ ফোন, ইউনিলিভার, পার্টেক্স, প্রান আরএফএল ইত্যাদিও লিঙ্কড ইন থেকে রিক্রুট করে থাকে।

তবে এসব চ্যানেল এ সব সময় নজর রাখা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে সোশ্যাল চ্যানেল গুলো লিঙ্ক জোগাড় করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

রিমোট কোম্পানিতে কাজ পেতে হলে বিশেষ কোন স্কিলের প্রয়োজন আছে কিনা?

অবশ্যই! একটা অফিসে বসে সরাসরি টিমের সাথে কাজ করা আর রিমোটলি কাজ করার মধ্যে মোটামুটি আকাশ পাতাল তফাৎ।

অনসাইট জব গুলোতে সামনা সামনি বসে কথা বলা যায়, নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে অনেক কিছু প্রকাশ করা যায়, কিছু বুঝানোর প্রয়োজন হলে কলিগ কে ডেকে স্ক্রিনে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে আলোচনা করা যায়।

কিন্তু রিমোট জবে বেশিরভাগ যোগাযোগ হয় মেসেজের মাধ্যমে। Skype, Slack, Hipchat ইত্যাদি এখন রিমোট কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার সেই ওল্ড স্কুল মেইল পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকেন। আর একটু এডভান্সড কমিউনিকেশন এবং শেয়ারিং এর জন্য Basecamp, Trello, Toggl, Asana ইত্যাদি ব্যবহার করেন।

অতএব রিমোট কোম্পানির ক্ষেত্রে যোগাযোগ থেকে শুরু করে, নোট, প্রজেক্ট, টাস্ক, টাইম ইত্যাদি সহ নানান আনুসাঙ্গিক বিষয়ের সবই হবে অনলাইন টুলস এর মাধ্যমে।

স্ক্রিন শেয়ারিং বা রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এর ব্যাপার থাকলে Team Viewer, Skype Screen Share বা SSH, Remote Desktop connection ব্যবহারের প্রয়োজন পড়তে পারে।

এগুলো রিমোট কোম্পানিগুলোর কালচারের গুরুত্তপুর্ণ অংশ। অতএব কোন কোম্পানি কি কি পণ্য বিক্রি করে, কি কি সেবা দেয় এবং সেবার জন্য ঠিক কোন কোন টুল ব্যবহার করে এই বিষয়ে আগে থেকে ধারনা না থাকলে শুরুর দিন গুলো অনেক বিরক্তিকর মনে হবে।

আমার ব্যাক্তিগত পরামর্শ হচ্ছে- রিমোট জবে জয়েন করতে চাইলে তার আগে অন্তত ১ মাস working from home, remote job culture, remote job tips এইসব লিখে সার্চ করে পড়াশোনা করা উচিত এবং বিবেচনা করা উচিত যে আসলেই আমি এই ধরনের কাজের জন্য উপযুক্ত কি না।

কিভাবে কাজের জন্য আবেদন করবো?

সাধারণত জব এর এনাউন্সমেন্ট এর সময় ই এপ্লাই করার লিঙ্ক দিয়ে দেয়। এটা বেশিরভাগ হয় কোন ফর্ম বা মেইল এড্রেস। তবে আপনি যদি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হন এবং রিমোটলি কাজ করার ব্যাপারে শিওর থাকেন, তাহলে নিজে থেকেই সরাসরি মেইল করতে পারেন।

মেইলের বডিটাকে ব্যবহার করতে পারেন কভার লেটার হিসেবে। লিখতে পারেন যে আপনি কিভাবে তাদের কোম্পানি সম্পর্কে জানলেন, তাদের কোন কোন প্রডাক্ট আপনার ভালো লাগে, প্রডাক্টের কোন ফিচার বেশি পছন্দ, আপনার মতে সেই প্রডাক্টগুলোকে আরও কিভাবে উন্নত করা যায় এবং অবশ্যই ওই কোম্পানিটিকে আপনি ঠিক কিভাবে সাহায্য করতে পারবেন।

আবেদনে কি কি বিষয় মেনশন করা উচিত?

কভার লেটার বা এই ধরনের কিছু লেখার যায়গা থাকলে সেটা অবশ্যই সদ্ব্যবহার করতে হবে। মেইলে আবেদন করতে বললে মেইলের বডিই হবে কভার লেটার লেখার যায়গা। আর যদি আলাদা করে কভার লেটার দিতে বলে, তাহলে তো আলাদা করে একটা পিডিএফ ফাইল এটাচ করতে হবেই।

তবে ইনফরমেশনের রিপিটেশন হায়ারিং ম্যানেজারের মনে বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। তাই চেষ্টা করবেন মেইলের বডি এবং কভার লেটারের পিডিএফ ফাইল এর লেখা যেন সেইম না হয়ে যায়।

মনে রাখতে হবে যে, কোম্পানিগুলোর রিমোট কালচারে আসার পেছনের একটা মূল কারণ হচ্ছে দুনিয়ার যেকোনো যায়গা থেকে বেস্ট প্রাইসে বেস্ট রিসোর্স হায়ার করা। অতএব আপনার এপ্লিকেশন এর ক্ষেত্রে যত যত্নবান হবেন, এটা ততটা আপনার সিরিয়াসনেস দেখাবে এবং রিপ্লাই পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করবে।

রিমোট কোম্পানি গুলো কমিউনিকেশন এর প্রতি সর্বোচ্চ জোর দেয়। অতএব তারা অবশ্যই আপনার মেইল পড়বে। এটা নিয়ে কোন কনফিউশনের কারণ নেই। মেইল ভালো লাগলে এটাচ করা ফাইলও চেক করবে।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে সিভি বা রিজিউম জবের ক্ষেত্রে খুবই নগণ্য একটা অংশ। আপনার পড়াশোনা খুব বেশি ভালো না হলে সেই অংশগুলো স্কিপ করে যাওয়া যায়। ট্রেনিং এবং এক্সপেরিয়েন্স না থাকলে আইটি কোম্পানির ক্ষেত্রে সেটাও কোন বড় মাথা ব্যাথার কারণ না।

তবে স্কিল আপনার অবশ্যই থাকতে হবে। কাজ না জানলে পয়সা দিয়ে কেউ রাখবে না। অতএব কি কি জানেন, পারেন, করেছেন, তা অবশ্যই সিভি বা রিজিউম এ উল্লেখ থাকতে হবে।

স্কিল স্পষ্ট করার জন্য লিস্ট বা টেবিল হিসেবে সাজাতে পারেন। অর্ডারিং এর জন্য রিলিভেন্স, ক্যাটাগরি ফলো করতে পারেন। অপ্রাসঙ্গিক স্কিল থাকলেও উল্লেখ করা যাবে না।

প্রত্যেক জবের জন্য আলাদা করে রিজিউম তৈরি করতে হবে।

আমি জানি এটা সময় সাপেক্ষ কাজ এবং আলসেমি লাগে। তবে এই কম্পিটিশন এর যুগে এইটুকু কষ্ট করাই লাগবে। এর কোন বিকল্প নেই।

সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের শিডিউল কেমন থাকে

ইমেইল বেজড সাপোর্ট হলে এবং ছোট সাইজের কোম্পানিগুলোর বেশিরভাগ সময় নির্দিস্ট ওয়ার্ক আওয়ার থাকে না। ফ্লেক্সিবিলিটি থাকে দিনের (এবং রাতের) যেকোনো সময় রিপ্লাই দেওয়ার। তবে ফুল টাইম জব হলে সপ্তাহে মোট ৪০ ঘণ্টা বা নির্দিস্ট পরিমাণ সাপোর্ট টিকেট resolve করার টার্গেট থাকবে।

রিয়েল টাইম কমিউনিকেশন যেমন কাস্টোমারের সাথে pre-sales meeting বা লাইভ চ্যাটে সাপোর্ট দিতে গেলে আবার কাজের স্বার্থেই সময় বেঁধে নিতে হবে।

আবার সপ্তাহে বা দিনে একদিন টিম মিটিং, কাজের আপডেট দেওয়া, বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর মধ্যে কনফিউশন থাকলে তা সমাধান করার জন্য একটা নির্দিস্ট সময় ঠিক করে দেওয়া থাকতে পারে। মিটিং এর নিয়ম একেক কোম্পানিতে একেক রকমের হয়।

বাইরের কোম্পানিতে আওয়ারলি রেট/ সেলারি কেমন থাকে?

বিদেশ মানে ডলার আর ডলার মানেই অনেক টাকা 😉

ঘণ্টা হিসেবে কাজ করলে কাস্টোমার সাপোর্টে আমার দেখা মিনিমাম ৭ ডলার আর সর্বোচ্চ ২৫ ডলার

ফুল টাইম কাজ করলে এবং রেপুটেড কোম্পানি হলে “সিক্স ডিজিট” কনফার্মড। তবে এপল প্রোডাক্টস এর লিস্ট করার আগে স্কিল এর ব্যাপার টা ভুলে গেলে চলবে না :p

কাজ পাওয়ার জন্য এবং সাপোর্ট নিঞ্জা হিসেবে কাজ করার সময় টিপস

১। যেকোনো কোম্পানিতে এপ্লাই করার আগে তাদের সম্পর্কে যথেষ্ট পরিমাণ রিসার্চ করতে হবে। জবে এপ্লাই করার আগের পদক্ষেপ হচ্ছে ক্রাশ কে প্রপোজ করার আগে stalk করার মত। যত বেশি জানবেন, তত ভালো প্ল্যান করতে পারবেন এবং ইয়েস বলার চান্স তত বাড়বে।

২। কভার লেটার নিজেকে তুলে ধরার বেস্ট যায়গা। মেইল পাঠানোর সময় রিজিউম পাঠাতে বলেছে বলে শুধু ২-১ লাইন লিখে রিজিউম এটাচ করে পাঠিয়ে দিলে হবে না। মিনিমাম ২০০ শব্দের মধ্যে নিজেকে তুলে ধরতে হবে। পাঠককে কনভিন্স করতে হবে।

৩। ইন্টারভিউ ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং এপ দিয়ে হতে পারে। কমন টুলস গুলো সম্বন্ধে ধারনা না থাকলে অবশ্যই মেইল পাঠানোর পর পরই সেগুলো দেখা শুরু করুন। নতুবা ইন্টারভিউ এর সময় লজ্জায় পড়তে হবে।

৪। কখনো ভুল ইনফরমেশন দেওয়া যাবে না। বাড়িয়ে বলা যাবে না। যতটুকু কনফিডেন্স এর সাথে পারবেন, ঠিক ততটুকুই বলবেন। হুদাই ভাব নিলে ধরা খাওয়ার চান্স ১০০%।

৫। কাস্টমারের সাথে কখনো মিথ্যা বলা যাবে না। ইনফ্যাক্ট কারো সাথেই মিথ্যা বলা যাবে না। সব সময় সবার সাথে true থাকতে হবে। প্রডাক্টে সমস্যা থাকতেই পারে। কাস্টোমারকে মিথ্যা আসা দিয়ে বা দোষ দিয়ে সময় ক্ষেপণ করা যাবে না। দোষ থাকলে অবশ্যই স্বীকার করে বাস্তব একটা সময় চেয়ে নিয়ে তা সমাধান করতে হবে।

How I prepared myself for North South University

Why did I switch from engineering to business admin?

I was a student of Diploma in Electrical Engineering. It took me 8 years to finish just because of my laziness and greed for money.

I got my final results in January 2017. At that time, I was working for a software company as a business development manager. I never liked mathematics, so engineering never felt appealing to me. But I did like counting dollars 😀

So I decided to switch my track and get rid of boring maths. In the beginning, I was considering the art department and was saving money for the university.

But later due to some personal issues, I decided to pursue business administration. I have heard about the Institute of Business Administration (IBA in short) admission process and how hard it is. So I decided to go to North South University.

Does NSU really allow people from all discipline to any of their departments?

Yes! In fact, all the educational institute all over the world accepts any equivalent degree or certification. I have never seen a ‘No’ at any university for any subject. There are a variety of students from all the traditional high school certificate holders and even GRE or GED students. They have their door open for everyone.

When the university announced the admission for Fall 2017 semester, I called the office and asked if a diploma engineering student can get admission in their business school. They asked if my total grades are 8 or above on a scale of ten. When I replied positive, they asked me to visit their office with all my papers.

After having a look at all of my academic papers, they still did not confirm and asked me to sit for the admission test. The only condition was to get through the admission test. If I do well, they will allow me in their school.

Preparing for the admission test

I had left my job already and I had plenty of time to get prepared. But I never took traditional education seriously. So I was basically talking with my flatmates who are already studying at NSU and was trying to know how the environment and rules are. I was taking mental preparation by watching numerous Bangla, Hindi, English movies and TV series.

When only 1 week was left, I thought I should give this event a bit more importance as I have already paid 1535 taka for the admission test. So I went to Nilkhet and bought a book for the admission test which was made by Mentors. My flatmates suggested this book and they too used it to prepare for the aptitude test.

I was quite confident about my English. Because I have always got more than 80% marks on all my English exams since school and was working with international clients from last 3 years.

I am also good at creative writing. So I only focused on maths entirely. When only 3 days were left from the date of the admission test, I was frustrated with the book and started watching videos from Khan Academy about basic maths which are taught in the sixth grade. I wanted to learn everything from the beginning. But I got tired after a day!

The day of admission test

I was feeling a bit nervous because I live on the same block as the university and all the cars started honking since 9 and I could not sleep properly due to excessive Facebooking.

I went for the admission test with an empty stomach and there was no literal preparation. As the test was an “aptitude test”, I thought if I really have learnt anything all these years, then I will be allowed. If not, I always have some other options.

As I was not burning my father’s money and was on my own, I did not have any pressure on me.

There were volunteers to guide me to the exam hall. So it did not feel like a puzzle like any other public universities.

The question had 4 parts if I remember correctly. Everyone has to complete each part on the designated time slot. No one was even allowed to peek on the upcoming questions! I liked this method. If I got to have a look at all the questions before I start answering, I might have felt anxious and would have done something wrong.

The good thing about the exam that they offered a juice pack during the exam. When everyone was sweating with the composition, I was sipping the box. The exam was quite fun actually.

The result was published after 3 days and I got accepted for both the subjects I have preferred!

Important Tips

  1. Use a good photo when you submit the admission form. Else you would end up looking like a cartoon on your ID. They use the same picture everywhere from the admission form. Also, friends will mock you 😐
  2. You can submit the payment using a card. When I went to the university, there was heavy rainfall and I couldn’t go to the bank. So I took help from an ex-colleague and used his card.

If you are planning to join NSU, please feel free to comment below and ask any question you have 🙂

Self Motivated – মানে কি! [জব/ইন্টারভিউ এর যে সিক্রেট কেউ বলে না]

এই পোস্ট টা হবু এমপ্লয়ি, অলরেডি এমপ্লয়ি আর এমপ্লয়ার তিন ক্লাসের জন্যই।

ভূমিকা

ভূমিকাটা ইচ্ছা করেই একটু লম্বা করবো; কিন্তু আমি নিশ্চিত আপনার সময় নষ্ট হবে না। সরাসরি টপিকে চলে যেতে চাইলে এখানে ক্লিক করতে পারেন।

সব চাকরির বিজ্ঞাপনে এই লাইনটা দেখা যাবেই- Self Motivated। খুব কম মানুষ ই এই লাইন টা উল্লেখ করেন না। কারণ হচ্ছে বেশির ভাগ (শতভাগ বলি নাই) বিজ্ঞাপন দাতা কোথাও থেকে একটা টেমপ্লেট কপি করে দুইটা শব্দ বা লাইন এদিক ওদিক করে পোস্ট করেন।

Read More

The shortest guide to start WordPress Development!

It’s been 13 years since WordPress made the first release and still, you can find people on public forums and Facebook groups asking about how to get started with WordPress theme or plugin development! This morning I was about to comment on a post in our own community group and it got quite big.

Read More